MADHYAMIK BENGALI MADHYAMIK EXAM

মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন ২০২১ / Madhyamik Bengali Suggestion 2021

মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন ২০২১ / Madhyamik Bengali Suggestion 2021

Madhyamik Bengali Suggestion 2021 : প্রিয় ছাত্রছাত্রী বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে স্কুলে গিয়ে ক্লাস করা সম্ভব হচ্ছে না । অনলাইনে যতই ক্লাস হোক তা কখনই অফলাইন ক্লাসের পরিপূরক হতে পারে না । সেই কথা মাথায় রেখে মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন ২০২১ সম্পাদনা করে দিলাম । আশাকরি এই সাজেশন থেকে তোমরা যথেষ্ট উপকৃত হবে ।

সাজেশনের কিয়দংশ এখানে দেওয়া হল…

বহুমুখী প্রশ্নউত্তর

১.  মেসোমশাই কোন পত্রিকার সম্পাদক কে চিনতেন?

ক – সাহিত্যচর্চা।                খ- ভারতী।

গ- শুকতারা।                     ঘ –  সন্ধ্যাতারা।

উত্তর: সন্ধ্যাতারা

২. “গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠলো তপনের” – এর কারণ হলো – 

ক – অজানা আতঙ্ক।    খ – স্বরচিত গল্প পাঠের অনুভূতি।   

 গ- ভৌতিক গল্প পাঠের প্রতিশ্রুতি।

 ঘ – নতুন মেসোর ব্যাবহার 

উত্তর:  স্বরচিত গল্প পাঠের অনুভূতি।   

৩ . “তপনের হাতে আছে” – কথটির অর্থ হলো- 

ক –  হস্তক্ষেপ।          খ – ভাষার দখল। 

গ – মারামারি।           ঘ – জবরদস্তি।

উত্তর: ভাষার দখল

৪ .” আমাদের থাকলে আমরাও চেষ্টা করে দেখতাম”- উক্তিটির বক্তা – 

ক – ছোট মাসি।       খ – তপনে বন্ধুরা

গ- মেজ কাকু।          ঘ – মেসো।

উত্তর: মেজ কাকু

৫ . তপন অবশ্য মাসির এই হইচৈতে মনে মনে হয় – 

ক – আনন্দিত।         খ – উল্লসিত।  

গ – খুশি।                    ঘ – পুলকিত।

উত্তর: পুলকিত

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর :

 ( জ্ঞানচক্ষু )

১ . “বিকেলে চায়ের টেবিলে ওঠে কথাটা ” – চায়ের টেবিলে কোন কথা ওঠে ?

২. তপনের লেখা গল্প পরে ছোট মাসি কি বলেছিল?

৩.” তা ঘটেছে, সত্যিই ঘটেছে”। কি ঘটেছে?

৪. “বুকে রক্ত ছলকে ওঠে তপনের” -কেন তপনের বুকের রক্ত ছলকে ওঠে?

৫. “এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের “- কোন বিষয়ে তপনের  সন্দেহ ছিল ?

(প্রশ্নের মান

১. ‘ জ্ঞানচক্ষু ‘ গল্পে তপনের চরিত্রটি আলোচনা করো।

উত্তর :- বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখিকা ও কথা সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর ‘ জ্ঞানচক্ষু ‘ গল্পে তপনের একটি অল্প বয়সী ছেলে। সদ্যবিবাহিতা ছোট মাসি থেকে সে প্রায় আট বছরের ছোট । তবে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যের জন্য তপন আর পাঁচটা ছেলে থেকে আলাদা।

 সাহিত্যপ্রিতি : তপন ছেলেবেলা থেকে অনেক গল্প শুনেছে আর এখন গাদা গাদা গল্প পড়ে। অর্থাৎ সাহিত্যের প্রতি তার ভালোবাসা বরাবরই রয়েছে।

শিশু সুলভ কল্পনা : লেখকরা অসাধারণ মানুষ – এরকম ধারণা ছিল তপনের । কিন্তু নতুন মেসোমশাই কে দেখে তপনের সে ধারণা পাল্টে যায়। তপন দেখে ছোট মেসোমশাই লেখক হলেও – “…ওদের মতোই দাড়ি কামান, সিগারেট খান , খেতে বসেই – আরে ব্যস, এত কখনো খাওয়া যায়? বলে অর্ধেক তুলিয়ে দেন , চানের সময় চান করেন ঘুমের সময় ঘুমোন ।” এমনকী খবরের কাগজ পড়েন ও সিনেমাও দেখেন । এসব দেখে তপনের মনে হয়, লেখকরাও সাধারণ মানুষ।

আত্মবিশ্বাসী : গল্প পড়া ও শোনার প্রতি তপনের যথেষ্ট আগ্রহ ছিল। লেখক মেসোমশাই কে দেখে তার নিজের লেখার ক্ষমতা সম্পর্কে বিশ্বাস জন্মায় এবং মনে হয় – ” লেখক হতে বাধা কী ?” তারপর তার প্রথম লেখা গল্পটি দেখে ছোটো মেসো যখন প্রশংসা করে সেটি সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং তপন তখন আরও উৎসাহিত ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে একের পর এক গল্প লেখার নেশায় মেতে ওঠে।

অভিমানী : ছোটো মাসির সাথে তপনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকায় সে তার লেখা গল্প ছোটো মাসিকে দেখালে তিনি বলেন,” কোনোখান থেকে টুকলিফাই করিসনি তো ?” এই কথা শোনা মাত্রই তপন অভিমানী হয়ে পড়ে ।

বাস্তব বোধ : ‘ সন্ধ্যাতারা ‘ প্রত্রিকার তপনের লেখা গল্প দেখে পরিবারের সবাই প্রশংসা করে। কিন্তু যখনই মেসো মশাই কারেকশন এর কথা বলেন তখনই তপনের মনে হয় তার কৃতিত্ব তা অনেকটা ছোট হয়ে যায়। এরপর সে প্রতিজ্ঞা করে – যদি কখনো লেখা থাকতে দেয় তো , তপন  নিজে গিয়ে দেবে । নিজের পাছা লেখা ছাপা হয় হোক না হোক।

২. ‘ জ্ঞানচক্ষু ‘  গল্পে তপনের জীবনের সবচেয়ে সুখের দিনটি কিভাবে দুঃখের দিনে পরিণত হল তা নিজের ভাষায় লেখ।

উত্তর :- বাংলা সাহিত্যের অন্যতম লেখিকা আশাপূর্ণা দেবী রচিত  ‘জ্ঞানচক্ষু ‘ শীর্ষক ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র তপনের সুখের দুঃখের দিনে পরিণত হয়েছিল।

তপনের জীবনের সুখের দিন : মামার বাড়িতে গিয়ে লেখা তপনের একটি গল্প সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিল ।তিনি তপনকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তাঁর লেখা গল্পটি ‘ সন্ধ্যাতারা ‘ পত্রিকার সম্পাদক কে বলে ছাপানোর ব্যবস্থা করে দেবেন। এরপর বেশ কিছু দিন কোন খবর না আসায় তপন অনেকটা আশাহত হয়ে গেলে হঠাৎ তপনের বাড়িতে – “ছোট মাসি আর মেসো একদিন বেড়াতে এল, হাতে এক সংখ্যা সন্ধ্যাতারা।” সেই পত্রিকা দেখে এবং তাতে তপনের লেখা গল্পের কথা মনে করে পুলকিত হয়ে ওঠে। এটাই ছিল তাঁর সবচেয়ে সুখের দিন ।

সুখের দিন দুঃখের দিনে পরিণত হওয়া:  তবে সেই সুখের দিনে শেষ পরিণতি তপনের কাছে হয়ে উঠেছিল অত্যন্ত বেদনার্ত। পত্রিকায় প্রকাশিত গল্পটি একদিকে যেমন কারেকশন করতে হয়েছে অন্যদিকে মেসোর সুপারিশেই তা ছাপা হয়েছে- বাড়িসুদ্ধ এরকম আলোচনা ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এতে তখন মনে মনে খুব কষ্ট পায়। এরপর মায়ের আদেশ গল্পটি পড়তে গিয়ে তখন দেখে-” এর প্রত্যেকটি লাইন তো নতুন আনকোরা ,তপনের অপরিচিত।” অর্থাৎ অসম্পূর্ণ গল্প লিখে দিয়েছেন তার পাকা হাতে কলমে ।একমাত্র শিরোনাম ছাড়া তাতে তপনের  কোনো অস্তিত্বই নেই ।কিছুক্ষণ গড়িয়ে পড়ার পর তপন বইটা ফেলে রেখে বইটা ফেলে রেখে চলে যায় ।আসলে দুঃখে -কষ্টে তপন ছাদে উঠে গিয়ে কেঁদে ফেলে সংকল্প করে -“যদি কখনো লেখা ছাড়তে দেয় তখন নিজে গিয়ে দেবে। নিজের কাছে লেখা ছাপা হয় হোক, না হয় না হোক ” এভাবে তপনের সুখের মুহূর্তটি শেষে দুঃখের মুহূর্তে  পরিণত হয়েছিল ।

( কোনি )

প্রশ্নের মান

১. ” একটা মেয়ে পেয়েছি, তাকে শেখাবার সুযোগটুকু দিও তাহলেই হবে ।” বক্তার এমন কথা বলার কারণ কি? এই কথায় বক্তার কোন মানসিকতার পরিচয় পাও ।

উত্তর:-

মতি নন্দী রচিত ‘ কোনি ‘ উপন্যাসের জুপিটার ক্লাবে ভর্তি করতে গিয়ে ক্ষিতিশকে চোরম ভাবে অপমানিত হতে হয়। বলা হয় কোনটিকে ট্রায়াল দিতে হবে। কিন্তু ট্রায়ালে উত্তীর্ণ হলেও জলে জায়গা নেই- এই যুক্তিতে কনিকে জুপিটার এ ভর্তি নেওয়া হয় না। শেষমেষ ধৈর্য রাখতে না পেরে ক্ষিতীশ তার চিরশত্রু অ্যাপেলো ক্লাবে পৌঁছে যান। সেখানে তাদের জুপিটার থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গটি তুলে ধরে প্রচলিত মন্তব্যটি ক্ষিতীশ করেন।

          ক্ষিতীশ এর চ্যালেঞ্জ ছিল কোনিকে একজন সফল ছাত্র হিসেবে গড়ে তোলা। তাই জুপিটারের প্রশিক্ষকের পদ ছাড়তে তিনি বিন্দুমাত্র চিন্তা না করে হাজির হয়ে যান তার চিরশত্রু অ্যাপোলো ক্লাবে। এখানে তিনিও নিজেকে এক সফল প্রশিক্ষক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়াসী হন। জি প্রশিক্ষক নিজের কৃতিত্বের চেয়ে প্রতিভা খুঁজে বের করাকে সাফল্য হিসেবে ভাবেন তিনি যথাযথই প্রশিক্ষক। তাই কোনির কাছে  ছিলেন ক্ষিতীশই ছিলেন অনুপ্রেরণা ও পথপ্রদর্শক।

২.”মানুষের ক্ষমতা সীমা নেই রে -ওরা পাগলা বলছে বলুক”- বক্তা কে? বক্তার এই বক্তব্য কোনির জীবনের ক্ষেত্রে কতখানি সত্য হয়ে উঠেছিল তা আলোচনা করো। 

উত্তর:-

মতি নন্দী রচিত ‘ কোনি’ উপন্যাসে উল্লেখিত মন্তব্যটি করেছেন কোনের সাঁতার প্রশিক্ষণ ক্ষিতীশ  সিংহ ওরফে‌ ক্ষিদ্দা।

       কনিকা সফল সাঁতারু হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তাকে সর্বদা কঠোর অনুশীলনের মধ্যে রাখেন 

ক্ষিদ্দা।অনেক সময় কোনির শরীরেই পরিশ্রমে দখল নিতে না পারলেও ক্ষিদ্দা  তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেন না। মনে মনে তিনি বলেন-” মার্ খেয়ে ইস্পাত হয়ে উঠতে হবে, যন্ত্রণা কে হারিয়ে দিতে হবে।” আসলেই খিদের তাড়নাই কোনিকে যন্ত্রণাটি সহজে বোঝাতে পারবে বলে ক্ষিতীশ মনে করেন।চেষ্টা এবং শ্রম এর দ্বারাই মানুষ অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলে। অমানুষিক পরিশ্রম করলে প্রথমদিকে লোকে হয়তো পাগল বলবে। কিন্তু পরিশ্রমী মানুষকে এনে দেবে সাফল্য। কোনিও ক্ষিদ্দার কথামতো প্রথমদিকেই অমানুষিক পরিশ্রম করে পরিবর্তিতে সফলতার মুখ দেখবে।

( প্রবন্ধ রচনা)

এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় নিম্নলিখিত প্রবন্ধ গুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ:

১. বিজ্ঞানের জয়যাত্রা/ বিজ্ঞানমনস্কতা ও কুসংস্কার/বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা/বিজ্ঞান ও বিজ্ঞান চেতনা।

২. বাংলা ঋতু বৈচিত্র/তোমার প্রিয় ঋতু।

৩. কম্পিউটার ও মানব জীবন।

৪. করোনা ভাইরাস/সাম্প্রতিক অতীমারিতে বিপর্যস্ত বিশ্ব/ ভারত।

৫. তোমার প্রিয় সাহিত্যিক/ কবি / লেখক।

সম্পূর্ণ সাজেশন পেতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন